সামাজিক নিরীক্ষা নিয়ে যখন এইসব গাইডলাইন আমাদের নজরে আসে, তখন মনে হয় পৃথিবীর সবথেকে বঞ্চিত কর্মী SAVRP.মেঘালয় করছে 26 টি প্রকল্পের সামাজিক নিরীক্ষা।SAVRP গাইডলাইন বলছে কমপক্ষে 150 দিন সোশ্যাল অডিট করতে হবে VRP দ্বারা। DA, TA ও বেতন বৃদ্ধি করার কথাও লেখা হয়েছে ট্রেনিং গাইডলাইনে। তখন আমাদের ভিতরে যে ব্যথা হয় তা আমরা কাকে বলব? কে শুনবে আমাদের দাবি?মুরগিকে জবাই করলে যেভাবে ছটফট করে।এইসব ট্রেনিং গাইডলাইন দেখলে আমাদের ভিতরটি সেইরকম করে।যখন অর্ডার, গাইডলাইন, সার্কুলার সব হাতে থাকে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয় না। আমরা ভুখা দিন কাটাই। তখন প্রশাসনের উপর আমাদের আস্থা হারিয়ে যায়। মনে হয় দুর্নীতির গভীর সমুদ্রে আমরা আছি।আমরা হয়তো সেই দেশে আছি যেখানে ন্যায় বিচার নেই।
ক্ষমতাসীন মানুষগুলোকে দেখলে আমাদের ভিতরে ঘৃণা সৃষ্টি হয়। মনে হয় যাদের হাতে ক্ষমতা আছে তারা বড়োই নিষ্ঠুর ও অস্বচ্ছ। সামাজিক নিরীক্ষার মতো একটি সুন্দর জনপ্রিয় পদ্ধতিকে যারা বন্ধ করে রাখে তারা আর যাই হোক, সজ্জন মানুষ হতে পারে না।"অন্যায় যে করে, অন্যায় যে সহে,তব ঘৃণা তারে যেন তৃণ সম দহে।।"--বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথের বানী বাস্তব হোক।আজকের প্রশ্ন সামাজিক নিরীক্ষা কেন বন্ধ,এই প্রশ্নটি কেন কেউ তোলে না?
ABVRPEA সাংগাঠনিক কাজের বর্তমান সংক্ষিপ্ত আপডেট
25040 জন SAVRP বা 56831 জন VBDCP কর্মীর নিত্য যন্ত্রনা হলো প্রত্যেক মাসে সঠিক সময়ে কাজের সান্মানিক না পাওয়া।রোজ বিভিন্ন জেলার VBDCP কর্মীদের থেকে দাবি আসে যেন প্রত্যেক মাসে সঠিক সময়ে সান্মানিক একাউন্টে আসে। সেইসাথে সবার মূল দাবি মাসিক 15000 টাকা বেতন সহ যাবতীয় সরকারি সুবিধা প্রদান।ABVRPEA সংগঠন উদ্যোগ নিল এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি হস্তক্ষেপ দাবির।পঞ্চায়েত দপ্তরের মাননীয়া স্পেশাল সেক্রেটারি সহ, স্বাস্থ্য দপ্তর ও পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্য সচিবকেও করা হলো চিঠি ও ইমেইল। চলছে দপ্তরের সাথে যোগাযোগ যাতে এই সমস্যা শীঘ্রই সমাধান হয়।আমরা আশাবাদী সরকার আমাদের সাথে আছে।
অন্যদিকে, 25040 জন SAVRP এর দাবি কনকারেন্ট সোশ্যাল অডিট।তা নিয়েও আবার নেওয়া হলো লিখিত উদ্যোগ।আশাকরি,অচিরেই আমরা সফল হব।সাথে থাকুন। ভরসা রাখুন।নীরবে চলছে অনেক কাজ।"
ধন্যবাদ সহযোগে
সরকার সহযোগী ABVRPEA সংগঠনের পক্ষে
ধনঞ্জয় চক্রবর্ত্তী





খুব ভালো। ধন্যবাদ আপনাদের।
উত্তরমুছুন