নিজস্ব প্রতিবেদন :-
স্কুল পড়ুয়াদের ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পকে ছাড়পত্র দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভা।
এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, এই প্রকল্পের আওতায় পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা মিলবে। কার্ডের বৈধতা ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত থাকবে।
তিনি বলেন, ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন নিতে পারবেন ও ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা পাওয়া যাবে। সরকারই থাকবে ক্রেডিট কার্ডের গ্যারান্টার। উচ্চশিক্ষার জন্য লোন নেওয়া যাবে স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ডে।
আজ জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ইস্যুতে মমতা বলেন, ভ্যাকসিনের মতোই কাশ্মীর নিয়ে দেশের বদনাম হয়েছে। কাশ্মীরের মানুষের স্বাধীনতা খর্ব করলে চলবে না। গত ২ বছর ধরে কাশ্মীরে কেউ যেতে পারছে না।
পিএসি চেয়ারম্যানের পদে মুকুল রায়ের নাম ওঠা নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এই প্রেক্ষিতে মমতা বলেন, বিধানসভায় যে কেউ পিএসি-র চেয়ারম্যান পদে সমর্থন করতে পারে। মুকুল রায় বিজেপির পার্টি মেম্বার, পাহাড়ে বিনয় তামাঙ্গরা সমর্থন করেছেন।
আমরাও মুকুলকে সমর্থন করব। ভোটাভুটি হলে আমরাই জিতব।
কৃষকদের দাবিকে এদিন ফের একবার জোরাল সমর্থন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কৃষকদের দাবি ন্যায়সঙ্গত, ৩ কালো কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। তাঁর প্রশ্ন বিজেপি শুধু দেশপ্রেমিক, বাকি সবাই দেশদ্রোহী?
এদিন ফের কোভ্যাক্সিন ইস্যুতে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কোভ্যাক্সিনের সার্টিফিকেট বিদেশে গ্রাহ্য হচ্ছে না। সমস্যায় পড়ছেন দেশের পড়ুয়ারা। প্রধানমন্ত্রীকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করে চিঠি পাঠিয়েছি।
রাজ্যে আগে উপনির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিক উপনির্বাচন প্রসঙ্গে মমতা বলেন। ভোট নিয়ে আমার কোনও ভয় নেই।
প্রসঙ্গত, রাজ্যে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে হবে উপনির্বাচন এরমধ্যে রয়েছে ভবানীপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দা, দক্ষিণ ২৪ পরপগনার গোসাবা, কোচবিহারের দিনহাটা ও নদিয়ার শান্তিপুর কেন্দ্রে।
এছাড়া মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হওয়া বাকি আছে ।
বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজিত হন তৃণমূলনেত্রী। নিয়মমতো, সরকার গঠনের ছমাসের মধ্যে কোনও আসন থেকে জিতে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে।
ইতিমধ্যেই, ভবানীপুরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো কেন্দ্রে,।
তাই, ভবানীপুরে ফের ভোট হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, শুক্রবার থেকে করোনা বিধি মেনেই চালু হবে বিধানসভা।
