![]() |
| Village Recourse Person |
ভি আর পি দের পদোন্নতি না হওয়ার কারণ
*.নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে VRP লড়ে না।চরম বঞ্চনার স্বীকার তবুও আওয়াজ তোলে না।
*2.সাধারণ VRPগণ দিনরাত VRP কমিটিগুলোর কঠোর নিন্দা সমালোচনা করে কিন্তু সমালোচকরা নেতৃত্বে এগিয়ে আসে না। কর্মসূচি নিলে সমালোচকদের কর্মসূচিতে পাওয়া যায় না।আর্থিক অপচয় প্রচুর করে VRP রা, কিন্তু সঠিক কাজে অর্থ দেয় না।
*3.VRP দের গোষ্ঠী হিংসা মারাত্মক আক্রমণাত্মক যার ফলে VRP লিডারগণ কাজের ইচ্ছে হারিয়ে ফেলে।বর্তমানে VRP লিডারগণ মনোবল হারিয়ে ফেলেছে নেতৃত্ব দেবার।
*4.VRP দের জন্য যে কোন ভালো কাজ কেউ করলে তাকে উৎসাহ বা সমর্থন না দিয়ে নিন্দায় উঠে পড়ে লাগে সাধারণ VRP গণ যতক্ষণ না ভালো কাজটা বন্ধ হয়।
*5.VRP একটা আন্দোলনের নাম। আর পৃথিবীর যে কোন আন্দোলনকারীগণ ইতিহাস হয়। তারা সন্মানের পাত্র হয়। কিন্তু VRP দের এমন একটি সংগঠন যেখানে VRP আন্দোলনকারীদের অসম্মান VRP রাই করে থাকে।এখানে কাজের সন্মান নেই অর্থাৎ যার জন্য চুরি করা হয় সেই বলে চোর।
*6.VRP কমিটিগুলিতে ভারতীয় সাংবিধানিক গনতন্ত্র নেই। এখানে কেউ বিরোধী মত রাখলে তাকে চিরশত্রু বানিয়ে রাখা হয় VRP দের।ভারতে লোকসভা, রাজ্যসভা, বিধানসভা সব কক্ষে বিরোধী আসন থাকে। মতবাদ রাখার সুযোগ থাকে। কিন্তু VRP কমিটিতে সেই বিরোধী আসন নেই।সুষ্ঠ চিন্তাশীল মতবাদ রাখার কোন স্থান নেই। এখানে স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।সুযুক্তিকে কু যুক্তি দিয়ে খন্ডন করার অন্যায় চেষ্টা হয়।
*7.VRP দের উচিত প্রত্যেক তিনমাস পর পর নিজেদের সমস্যা ও দাবি দাওয়া লিখিত আকারে DM এর নিকট প্রদান করা। কিন্তু জেলা কমিটিগুলো এই উদ্যোগ নেয় না।VRP তে বহু পন্ডিত আছে যারা মনে করে যে দরখাস্ত, পিটিশন, আবেদন, স্মারকলিপি দিয়ে কোন লাভ হয় না, আসলে এইসব পন্ডিতগণ কোন আইনই জানে না। এরা অফিসিয়াল কাজের সিস্টেমও জানে না। কিন্তু সিস্টেমে আসার গল্প করে।অফিসের প্রত্যেক পিটিশনের ডকেট মেমো হয়, উর্দ্ধতন স্তরে পিটিশন ফরোয়ার্ড হয় অফিসিয়াল সিস্টেমে।এটাও একটা অফিসিয়াল পদ্ধতি দাবি দাওয়া জানানোর যা আমরা খুব কম ব্যবহার করি।
*8.এক দুইজন বাদ দিলে রাজনৈতিক কোন নেতা VRP সমস্যা সমাধান নিয়ে কখনো বলে না।বরং VRP কে শত্রু নজরে তারা দেখে।সোশ্যাল অডিট করার কারণে পঞ্চায়েত স্টাফ,BDO স্টাফ ও DM অফিস স্টাফরাও VRPদের নিধিরাম সর্দার ভাবে। একপ্রকার আগাছা শত্রু ভাবে।
*9.বর্তমানে VRP গণ যে সরকারের বহু প্রকল্প তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেয়, দিনরাত VRP যে কঠোর পরিশ্রম করে তা আজও আমরা সরকারি আধিকারিকদের বোঝাতে পারিনি।সরকারকেও ভাবাতে পারিনি। যার ফলে VRP দের উন্নতির কথা সরকার মাথায় আনে না।
*10.98℅ VRP শাসকদলের পক্ষে থাকায় সরকার বিপক্ষ আন্দোলন করার ক্ষমতা আর VRP দের নেই।তাই VRP আন্দোলনের বর্তমানে একমাত্র পথ DM ডেপুটেশন,পঞ্চায়েত দপ্তর ডেপুটেশন ও মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হস্তক্ষেপ।এছাড়া আর কোন পথ নেই বর্তমানে।
*11.VRP দের ধ্বংস করার জন্য সপ্তাহে 7 দিন কাজ দেওয়া হয়েছে সরকারি আধিকারিক কৌশলে, যাতে আন্দোলন করার কোন সময় VRPগণ কখনও না পায়।দৈনিক 175 টাকা সান্মানিক করে VRP মেরুদন্ড বাঁকা করে রাখা হয়েছে যার ফলে নুন আনতে পান্তা ফুরায় দশা সৃষ্টি হয়েছে এদের। VRP ভবিষ্যৎ সৃষ্টিতে কোন রাজনৈতিক নেতা এগিয়ে আসে না। কিন্তু বিভিন্ন ব্লকে লক্ষ্য করুন ভি আর পি নিয়োগে নেতারাই কোঠা নিয়ে কাড়াকাড়ি করছে।গাছ আমাদের লাগানো। কিন্তু ফল খাচ্ছে অন্য কেউ।
*12.VRP তে যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো তারা VRP সংগঠনের ধার ধারে না।VRP তে বহু শাসকদল ঘনিষ্ঠ কর্মী আছে যারা কখনও VRP সমস্যা নিয়ে নিজ দলীয় মিটিং এ আলোচনা করে না।যদি অর্থশালী ও রাজনৈতিক প্রভাবশালী VRP গণ VRP জেলা ও রাজ্য কমিটিকে শক্তি দিত তবে VRP দের অবশ্যই উন্নতি হতো।
*13.VRP দের লড়াই অনেক কঠিন।অভ্যন্তরীণ একটা লড়াই আছে সংগঠনে।এরপর রাজনৈতিক একটা লড়াই আছে। এরপর প্রশাসনিক একটা লড়াই আছে। এরপর সরকারি বঞ্চনার একটা লড়াই আছে।পারিবারিক একটা লড়াই আছে। আর্থিক একটা জীবন সংগ্রাম লড়াই আছে।সর্বোপরি দুর্নীতি শক্তির বিরুদ্ধে একটা বিরাট লড়াই আছে।এতো লড়াই করে VRP এখনও বেঁচে আছে। উপরে অনেক দোষ ত্রুটি উল্লেখ হয়েছে। কিন্তু VRP অবশ্যই কঠিন লড়াকু জীবন ও সামাজিক যোদ্ধা। এদের তুলনা নেই। যদি উপরের দোষগুলি আমরা সংশোধন করতে পারি তবে আমরাই হব রাজ্যের অজেয় শক্তি।যুদ্ধে জয়লাভ করতে হলে সমাজের সবাইকে নিজেদের আন্দোলনের জড়িত করুন। সফলতার চাবিকাঠি এটাই। ধন্যবাদ সবাইকে।
--ধনঞ্জয় চক্রবর্ত্তী।
(VRP উপদেষ্টা)
07/08/21
আমার নজরে এইসব আভ্যন্তরীণ সমস্যা এসেছে তাই এগুলো সবার নজরে তুলে ধরলাম।ভিন্ন মতামত থাকলে নিচে লিখুন।সমালোচনা জীবন সংশোধন করে।
