![]() |
| VRP Meeting 16/09/21 |
VRP দের বর্তমান করণীয়
1.খুব শীঘ্রই প্রত্যেক VRP ব্লক, জেলা ও রাজ্য কমিটির পুণর্গঠন করে কমিটিকে এক্টিভ ও শক্তিশালী করা এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালী ও বিচক্ষণ VRP দের কমিটিতে স্থান দেওয়া।
2)খুব শীঘ্রই নিজেদের অস্তিত্ব ও শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে রাজ্যের 57000 VRP ও VCT কে নিয়ে জেলায় জেলায় নিজেদের দাবি নিয়ে তীব্র ডেপুটেশন করা।ডেপুটেশন সফলতার অস্ত্র নয়, কিন্তু এটা নিজেদের প্রতি বঞ্চনা ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের মাধ্যম অবশ্যই।
3) খুব শীঘ্রই প্রত্যেক জেলায় জেলায় VRP জেলা সন্মেলন করা এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত জেলার শাসকদলীয় MLA, MP ও মন্ত্রীদের প্রধান অতিথি করে অস্তিত্ব প্রকাশ অবশ্যই দরকার।সেইসাথে মিডিয়ার কাছে নিজেদের দুঃখ দুর্দশা তুলে ধরা।
আরও অনেক গোপনীয় পদক্ষেপ রয়েছে যা সোশ্যাল মিডিয়ায় উহ্য থাকল।অনেকদিন পর আমি ধনঞ্জয় চক্রবর্ত্তী একটু সময় বের করে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি উপলব্ধি করে সুপরামর্শ দিতে এলাম।যারা আমাকে ভালোবাসেন তারা মন্তব্যে সুপরামর্শ রাখুন।ধন্যবাদ সবাইকে।
--ধনঞ্জয় চক্রবর্ত্তী
কেউ খোঁজ রেখেছে কি কে বা কারা এই গ্রামীন সম্পদ কর্মীগন! নাম টা কিন্তু বেশ তাই না ? গ্রামীন সম্পদ কর্মী!নাম টা শুনলেই কি রকম সম্পদ সম্পদ মনে হয় তাই না! জানেন কারা এরা যারা সেই ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য আপনার দরজায় দরজায় কড়া নাড়ে। করোনা মহামারীর সময় যারা আপনাদের কে সচেতন করেছিলো ,সেই ভয়ানক সময়ে যখন কেউ বাড়ি থেকে বেরোনোর সাহস পেত না এরা করোনা আক্রান্তর বাড়িতে গিয়ে স্যানিটাইজ করেছিলো , পরিযায়ী শ্রমিক রা কোথায় থাকবে না থাকবে কিভাবে থাকবে না থাকবে ঠিক করে দিয়েছিলো ।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করেছিলো , বারংবার তাদের খবর নিয়েছিলো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ।জয় জোহার থেকে শুরু করে জয় বাংলার কাজেও যাদের দেখা যায় ।যাদের কে ভ্যাক্সিনেশনেও দেখা যায় আবার দুয়ারে সরকার ,স্বাস্থ্য সাথী, খাদ্যসাথী ,কাস্ট সার্টিফিকেট লক্ষীর ভান্ডারেও দেখা যায় । কখনো কখনো কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের 100 দিনের কাজ ,ভাতা ,প্রধান মন্ত্রী আবাস যোজনা ও রেশনের মতো কাজ গুলোর তদারকীতেও দেখা যায় যাতে এই প্রকল্প গুলোর সঠিক উদ্দেশ্য বাস্তবে রূপায়িত হয় ও সাধারণ মানুষ সঠিক ভাবে প্রকল্প গুলোর সুবিধা পায় ।মূল কথা সমাজের উন্নয়ন হয় । জানেন এরকম সরকারের প্রায় সমস্ত উন্নয়ন মূলক কাজেই এই হতভাগা শিক্ষিত গ্রামীন সম্পদ কর্মীদের দেখতে পাওয়া যায় ।
বিগত 2015 সাল থেকে আপনারা দেখেও আসছেন এদের । জানেন এরা কারা এরা হলো 2015 সাল থেকে তিলে তিলে মরা ,যন্ত্রনায় ভোগা গ্রামীন সম্পদ কর্মী ।
জানেন এরা কিভাবে এলো -2015 সালে জেলা সামাজিক দপ্তরের মাধ্যমে মেরিট লিস্ট ,লিখিত পরীক্ষা ও ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে নিয়োগ হয়ে । এদের মধ্যে বেশির ভাগই উচ্চমাধ্যমিক , M.A পাশ B.A পাশ ,ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ ।
কত করে পায় জানেন-মাত্র 175 টাকা দিন প্রতি ।হিসেব করলে 5250 টাকা মাসে ।তাও 4 মাস হতে চললো টাকা পায়নি ।
প্রতিদিন কাজ করতে হয় সকাল -থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ।অন্য কিছু করবে টা কখন ?আর অন্য কিছু না করলে খাবে টা কি ? এই মূল্য বৃদ্ধির যুগে 5250 টাকায় কোন সংসার চলে আপনারাই বলুন । যেখানে আজকে একজন অদক্ষ শ্রমিকের মজুরি আপনারা জানেন এদের হলো -175!
তাহলে এরা কিভাবে কি ভাবে দিন কাটাচ্ছে একটু ভাবুন শিক্ষিত সচেতন নাগরিক বৃন্দ ,আমাদের অনেক জ্ঞানী ও আমাদের প্রিয় সব জান্তা মাননীয়া একটু ভাবুন ।
পূজা আসন্ন আপনি এখনো 4 মাসের মাহিনার একদিনেরও দিলেন না কিভাবে মানসিক প্রশস্তি নিয়ে এরা দিন দিন আপনার কাজ করবে একটু বুদ্ধি দিন । কাজ তো করতেই হবে ।কাজ করা কর্তব্য কিন্তু মানসিক একটু প্রসস্থি দেওয়া টাও কি আপনার কর্তব্যের মধ্যে পড়েনা??উত্তর দিন মাননীয়া একটু দয়াকরে উত্তর দিন?
ভুল বললে ক্ষমাপ্রার্থী
সাকিল আহমেদ
