মিজানুর রহমান
দুয়ারেে সরকার , লক্ষী ভান্ডার এর কাজ প্রায় শেষ, যেখানে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন ছিল গ্রামীন সম্পদ কর্মী দের।
বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতিতে বর্ষার ভরা মৌসুমে মশা তাড়াতে ব্যস্ত সদা কর্ম চঞ্চল গ্রামীন সম্পদ কর্মীরা।
কাজের শেষ নেই, ভ্যাক্সিনেশন এর লম্বা লাইন মেনটেন করা উপভোক্তা দের সংবাদ প্রদান ও টোকেন ইস্যু করা। দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর ফটো তোলার সংবাদ প্রদান করা সবকিছুই তো ভি আর পি।
কিন্তু দুঃখের বিষয় এবং কিছুটা হলেও অবাক করা বিগত চার মাস ধরে এই সমস্ত কর্মচারী দের সাম্মানিক নেই। যারা কিনা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তরের কাজ তৃণমূল স্তরে অত্যন্ত দক্ষতা ও কর্ম নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব বোধে কর্তব্য পরায়ন হয়ে কাজ করে চলেছে।
ব্লক, জেলা, রাজ্যস্তরে কোন আধিকারিকের চোখে কেন আমরা পড়ি না ! নিরলস পরিশ্রম করা ভি আর পি দের চরম দূর্দশার চিত্র কেন সামনে আসে না। একবারও কি ভেবে দেখেছেন তাদের সংসারটা চলে কি করে ? বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব পালন করবে কি দিয়ে।
সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয় মাসে 5000 টাকা সাম্মানিক। নেই কোন বোনাস, নেই কোন কর্ম নিশ্চয়তা।
ভি আর পি দের জীবনের এই ঘোর অন্ধকারাচ্ছন্ন অদূর ভবিষ্যৎ কাটাতে পারে একমাত্র বাংলার অগ্নিকন্যা, বাংলার রূপকার, ভারত শাসনে আগামীর দূত মমতাময়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দিদি আপনার দিকেই তাকিয়ে আছি আমরা। আপনার পরম স্নেহের পরশ পেয়ে সারা রাজ্যে VRP কর্মী দের সংসার বেঁচে যাবে । আপনি পারেন যোগ্য সাম্মানিক দিয়ে কর্ম নিশ্চয়তার বাণী শোনাতে।
কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে সরাসরি করতে পারেন l
24পরগনা জেলা কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকে-
পঞ্চায়েত ভবনের প্রতিটি আধিকারিক, যারা আমাদের কাজটি দেখেন তাদের সাথে আমরা এ বিষয়ে আবারো ও কিছু আলোচনার কিছু বিষয় বস্তু সহ কি হতে পারে তুলে ধরলাম। তাহাদের বক্তব্য সবটা পঞ্চায়েত দিতে পারবে না 3/4 মাসের মোটামুটি একটা দেওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং তারা সর্বোপরি সবদিক থেকে চেষ্টা চালাচ্ছে।আমরা এটাও বলে এসেছি, যদি না হয় আমরা ডেপুটেশন বা অবস্থান করতে বাধ্য হবো। সাথে বলাই বাহুল্য আমরা MV Rao কে কিভাবে, এই পক্রিয়া করতে হবে এবং তাকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে।ডেপুটেশন এর বিষয়বস্তুটি লিখে তার মেইল আইডি নাম্বার সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি।।। বাকি বিষয়টি রাজ্য কমিটি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেখবে ,তারপর অবশ্যই সময় অনুসারে সেটি আপনাদের সামনে তুলে ধরবে। যে চেষ্টায় আমরা রয়েছি সেই চেষ্টা আমরা যতক্ষণ না সম্পূর্ণ হচ্ছে আমরা চেষ্টা আবারো চালিয়ে যাবো। সকলকে ধন্যবাদ
পূজার আগে মিটিং মিছিলের কোনো পরিস্থিতি নেই তাই এই মুহূর্তে কার্যকরী পদক্ষেপ একটাই হতে পারে রাজ্য কমিটির সদস্যদের নিয়ে পঞ্চায়েত দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসা। পূজার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে পূজার আগে কর্মসূচি রেডি রাখতে হবে, পূজা সমাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। ফান্ডের জন্য কোনো সমস্যা হবে না, আগেও হয়নি পরে ও হবেনা। তবে এমন কর্মসূচি নিতে হবে তা যেন কার্যকরি হয়। কর্মসূচি সম্পর্কে আগে থেকে সাধারণ vrp দেরকে জানাতে হবে। তার পর ফান্ড সংগ্রহ করতে হবে। সাধারণ vrp র প্রয়োজন হলে অবশ্যই কর্মসূচি তে অংশগ্রহণ করবে এবং সর্বত ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে।
তবে এখন যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হল রাজ্য কমিটি তথা নেতৃত্বর সদিচ্ছা। তাদের সদিচ্ছা আছে তো এটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। মতামত আপনাদের।
পুজোরর আগে সরকারি কর্মচারীদের বেতন তো দূরে থাক তারা বোনাস পর্যন্ত পেয়ে গেলেন,,, সেখানে VRP রা 4 মাস হয়ে গেলো পারিশ্রমিক টুকু পুজোর আগে না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, এটা দুঃখের সঙ্গে সঙ্গে খুবই লজ্জার বিষয়,, vrp দের এই দুরাবস্থা প্রমান করাচ্ছে যে সরকার কতৃপক্ষ vrp দের প্রতি উদাসীনমোনোভাবাপন্ন হয়ে পড়েছে, এটা প্রমান করাচ্ছে যে vrp দের মধ্যে দিন দিন একতার অভাব দেখা দিচ্ছে,,,,, আজ vrp দের এই করুন দুরাবস্থা একটাই কথা বলছে যে যদি সমস্ত vrp রা এক হয়ে কঠিন আন্দোলন না করে, তাহলে কয়েক বছরের মধ্যে vrp নামক পদ টা বিলুপ্ত হয়ে যাবে........ আমার নিজস্য মতামত এটাই বলছে l