ভিআরপিদের বেতন সম্পর্কিত বিষয়টি ব্লক প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসনকে দেখা উচিত ছিল।।
একটির পর একটি মাস যখন অতিক্রম হচ্ছিল, তখন ব্লকের আধিকারিকেরা ভিআরপিদের বেতন সম্পর্কে কোন রকম চিঠি জেলায় এবং জেলা প্রশাসন রাজ্য স্তরের পৌচ্ছায় নি কেন??
অনেকেই রাজ্য কমিটিকে দোষারোপ করতে পারেন।। ভিআরপিদের রাজ্য কমিটি বা জেলা কমিটির উপর দোষ চাপাতে চাইবেন।। আমি মনে করি এখানে কমিটির কোন দোষ নেই।। তবে ব্লক কমিটির নেতৃত্বরা একবার ব্লক মারফত জেলা এবং রাজ্য প্রশাসনকে বেতনের বিষয়ে ওয়াকিবহাল করলে, ব্লক প্রশাসন এবিষয়ে তদারকি করতে পারতেন।।
তাই দোষারোপের পূর্বে নিজের দোষ ত্রুটিগুলো বিশ্লেষণ করা দরকার।। বুঝা দরকার যে, এটা ভিআরপি কমিটর দ্বায়িত্ব নয়।। পুরোপুরি ভাবে দ্বায়িত্ব ব্লক এবং জেলা প্রশাসনীয় বিভাগের।।
তবে পুজোর পর আপনারা সঙ্গ দিলে এবিষয়ে একটা বড়সড় পদক্ষেপ নেওয়া যেতেই পারে।।
পুজো পরবর্তী সময়ে ভিআরপি বন্ধুরা এবার কলকাতায় আসবে, শুরু হবে আসল খেলা।।
বিজয়ার পর অভুক্ত ভিআরপিরা গর্জন করে বাংলা কাঁপিয়ে দিবে।। নবান্ন থর থর করে আমফানের ভিআরপি ঝড়ে কেঁপে উঠবে।।
পথে পুলিশ-ভিআরপি খেলা শুরু হবে।।
কিন্তু ভিআরপি রুখে দেওয়া, আটকে দেওয়া যাবে না।।
ইটের জবাব, পাটকেল দিয়ে হবে।।
বন্ধ হবে কলকাতার জনপথ।। নবান্ন ঘেরাও করে দাবী পুরণ হবে।।
1. প্রতিমাসে 16000 বেতন।
2. স্থায়ীকরণ।।
যেটা হওয়ার হয়ে গ্যাছে,টাকা আমরা পেলাম না,পুজো ভালো কাটবে না কারোরই,,তবে সব কিছুতে ভালো খুঁজতে হয়,,আর আমার মনে হয় এই খারাপের মধ্যেও আমাদের জন্য একটা ভালো জিনিস হলো,সেটা হলো,আমরা একটা ভ্যালিড ইস্যু পেয়ে গেলাম বড়ো আন্দোলন করার মতো,,পুজোতে যারা পরিবারের পাশে থাকতে পারলো না,যারা খাবার যোগার করতে পারলো না মিডিয়া তাদের সাথে থাকবে,কথা টা cm পর্যন্ত পৌঁছলে সামান্য হলেও গিলটি ফিল করবেন উনি।না করলেও মিডিয়া করাবে যদি আমরা একটা বড়ো আন্দোলন করতে পারি।আন্দোলন হতে হবে,আর সেটা হতে হবে কলকাতার বুকে,অনশন এর ব্যবস্থা করা হোক,,আমরা জেলা জেলা থেকে যাবো,গিয়ে বসে থাকবো,,যতক্ষন না দাবি মেটাবে অথবা এরেষ্ট করবে,উঠবো না,,দাবি মেটালে তো হয়েই গেল,আর এরেষ্ট করলে সেটা মিডিয়ার খাদ্য হবে,আমরা এক ধাপ এগোবো।রাজ্য কমিটির মেম্বার দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,প্লিজ পুজোর পরেও অনশন এর প্রস্তুতি নিন,দিদি সদ্য জিতেছেন,তার মধ্যে পুজো কাটবে,মন ভালো থাকবে,,কাজ হয়ে গেলেও হতে পারে।বিষয় টা ভাবুন,প্লিজ।