| Village Recourse Person |
To
Mamata Banerjee.
Hon'ble Chief Minister.
Nabanna (14 Floor),
325 Sarat Chatterjeee Road,
Sibpur, Howrah,
711102, West Bengal
বিষয়-[VRP-দের স্থায়ী করার জন্য আবেদন পত্র]
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী।।
সন্মানীয়া দিদি।।
পত্রের শুরুতে আপনাকে জানাই অভিবাদন।। আমি 33 হাজার VRP-দের মধ্যে হতভাগা একজন।। 2015-16 সালে সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ পরীক্ষা পদ্ধতির নিয়ম মেনে VRP হিসেবে নিয়োগ হয়েছিলাম।। আপনি আমাকে বছরে 365 দিন কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন।। যে কাজ আমাকে দিয়েছেন, আমি তা মনোযোগ সহকারে করি এবং দিনের শেষে মাত্র 175 টাকা পারিশ্রমিক পাই।। বর্তমানে আমার পরিবার আমার উপর সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় ওই পারিশ্রমিকে কোন ভাবেই চলেনা।। আমি এবং আমার পরিবার অর্ধাহারে, অনাহারে জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছি।। আমি ও আমার সংগঠনের পক্ষ থেকে আপনার বাড়ি কালীঘাট, নবান্ন, পঞ্চায়েত দপ্তর, স্বাস্থ্য দপ্তর সহ সরকারী দপ্তরে বহু স্মারকলিপি দিয়েছি।। সন্মানজনক মাসিক বেতনের আবেদন জানিয়েছি।। আমরা আপনার প্রতিটি জনসভাতে হাজারে হাজারে উপস্থিত থেকেছি।। আপনি প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।। লোকসভা নির্বাচনের পর VRP দেরকে সিস্টেমের মধ্যে এনে মাসিক বেতনের ব্যবস্থা করবেন।। আমি ও আমার পরিবার চাতক পাখির মতো সেই শুভক্ষণের অপেক্ষায় আছি।। আপনি একবারও ভাবেননি যে, মাত্র 175 টাকা দৈনিক হিসেবে মাসে 30 দিন কাজ করে 5200 টাকা পাই।। এই 5200 টাকার বেশির ভাগ অংশই যাতায়াতে খরচ হয়ে যায়।। আবার সেই টাকা পেতে পেতে সময় লাগে 4 থেকে 5 মাস।। এই চরম দ্রব্য মূল্যের বাজারে আমাদের সংসার অচল হয়ে যাচ্ছে।। আমরা জানি, আপনি বাংলার অগ্নিকন্যা, জনদরদী ও মানবিক মুখ্যমন্ত্রী।। আপনি যা প্রতিশ্রুতি দেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন।। তাই বাংলার 33 হাজার হতভাগ্য VRP-দের একজন হিসেবে আপনার কাছে করজোড়ে আবেদন করছি।। দয়াকরে আমাদের জন্য আপনি দু-বেলা দু-মুঠো ডাল ভাতের ব্যবস্থা করুন এবং আগামী 2021পর্যুন্ত শেষ সময় ধরে আমাদের সমস্যার সমাধান করে এই দুর্বিষহ জীবন যন্ত্রণা থেকে মুক্তির পথ দেখান।। নইলে আমিও সারা বাংলা গ্রামীন সম্পদ কর্মী সংগঠন (SBGSKS) এর হাজার হাজার সদস্যদের সঙ্গে একজন সদস্য হিসেবে আগামী পুজোর পরবর্তী সময়ে থেকে আমরণ ধর্না/অনশনের পথ বেছে নিতে বাধ্য থাকবো।।
বিনীত
আপনার গ্রামীন সম্পদ কর্মী।।
ফারুক আহাম্মেদ।।
পূজার আগে মিটিং মিছিলের কোনো পরিস্থিতি নেই তাই এই মুহূর্তে কার্যকরী পদক্ষেপ একটাই হতে পারে রাজ্য কমিটির সদস্যদের নিয়ে পঞ্চায়েত দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসা। পূজার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে পূজার আগে কর্মসূচি রেডি রাখতে হবে, পূজা সমাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। ফান্ডের জন্য কোনো সমস্যা হবে না, আগেও হয়নি পরে ও হবেনা। তবে এমন কর্মসূচি নিতে হবে তা যেন কার্যকরি হয়। কর্মসূচি সম্পর্কে আগে থেকে সাধারণ vrp দেরকে জানাতে হবে। তার পর ফান্ড সংগ্রহ করতে হবে। সাধারণ vrp র প্রয়োজন হলে অবশ্যই কর্মসূচি তে অংশগ্রহণ করবে এবং সর্বত ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে।
তবে এখন যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হল রাজ্য কমিটি তথা নেতৃত্বর সদিচ্ছা। তাদের সদিচ্ছা আছে তো এটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। মতামত আপনাদের।
ভিআরপি সম্পর্কিত নিয়মিত প্রতিবেদন পাওয়ার জন্য আজই সাবস্ক্রাইব করুন- AllBengalVRP 24