| গ্রামীণ সম্পদ কর্মী |
প্রায় পাঁচ মাস ধরে ভাতা পাচ্ছেন না গ্রামীণ সম্পদ কর্মীরা । সামনে পুজো । পরিবারের লোকজনের জন্য নতুন জামাকাপড় দূরে থাক , দু'বেলা খাবার জোগাতেও নাভিশ্বাস উঠছে তাঁদের । অথচ , এঁরাই করোনার সময়ে স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত অনেক কাজ করেছেন , ম্যালেরিয়া - ডেঙ্গি রুখতে মশার লার্ভা খুঁজে বার করা , স্প্রে করার কাজ করেছেন । দুয়ারে সরকারের শিবিরে কাজ করেছেন । ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ করছেন । পুজোর আগে সরকারের কাছে বকেয়া ভাতার দাবি জানিয়েছে সারা বাংলা গ্রামীণ সম্পদ কর্মী সংগঠন । সোমবার সংগঠনের তরফে চাকদহ ব্লকের সদস্যেরা বিডিও কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন । সমস্যার কথা স্বীকার করে বিডিও অতনু ঘোষ বলেন , “ এঁদের ভাতা নিয়ে আলোচনা চলছে । আশা করছি , দ্রুত তাঁরা টাকা পেয়ে যাবেন । ” গ্রামীণ সম্পদ কর্মীরা
জানিয়েছেন , গত ছ ' বছর থেকে তাঁরা কাজ করছেন । প্রতি গ্রাম পঞ্চায়েতে দশ জন করে গ্রামীণ সম্পদ কর্মী রয়েছেন । তাঁরা স্বাস্থ্য পরিষেবার বিভিন্ন গুরুদায়িত্ব পালন করে থাকেন । মাসে তাঁদের ভাতা ৫২৫০ টাকা । সেটুকু টাকাও তাঁরা পাচ্ছেন না । সংগঠনের চাকদহ সভাপতি রিপন মজুমদার বলেন , “ রাজ্য জুড়ে ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী রয়েছেন । আমরা যে টাকা পাই তা এমনিতেই কম । মাসের শেষে খুব সামান্য টাকা হাতে থাকে । সেই সামান্য টাকাও গত পাঁচ মাস ধরে পাচ্ছি না । পুজোর মুখে চরম অসুবিধায় পড়েছি । ”