 |
| Village Recourse Person |
চার মাস বেতন অমিল গোটা রাজ্যের গ্রামসম্পদ কর্মীদের । পুজোর মুখে তাঁরা রীতিমতাে বিপাকে । সমস্যার সমাধান দূর , কে তাঁদের বেতন মেটাবে , তা নিয়ে জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েতের মধ্যে টানাপড়েন চলছে । ওই কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে ।
জেলা পরিষদের একটি সূত্রের খবর , ওই কর্মীদের বেতন নির্মল বাংলা মিশন ’ - সহ কয়েকটি খাতে আসা টাকা থেকে মেটানাে হয় । কিন্তু ওই টাকা কয়েক মাস অমিল হওয়ায় বেতনে টান পড়েছে । সেই কারণেই পঞ্চায়েত প্রধানদের বলা হয়েছে , তাঁরা যেন ওই কর্মীদের বকেয়া বেতন মেটানাের ব্যবস্থা করেন । বিভিন্ন পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ,
বেতনের সংস্থান করার মতাে আয়ের উৎস তাঁদের নেই । প্রশাসন সূত্রের খবর , জেলার ২০৭ টি পঞ্চায়েত মিলিয়ে ৩২২৫ জন গ্রামসম্পদ কর্মী রয়েছেন । ১৯৯ টি পঞ্চায়েতে রয়েছেন ১৫ জন করে । অপেক্ষাকৃত বড় ৮ টি পঞ্চায়েতে রয়েছেন ৩০ জন করে । ওই কর্মীদের মূলত কৃষি ও জনস্বাস্থ্যের উপরে সমীক্ষার কাজ করতে হয় । মাসিক বেতন ৫ হাজার ২৫০ টাকা । অর্থাৎ , ১৯৯ টি পঞ্চায়েতের প্রতিটির ক্ষেত্রে ।
ওই কর্মীদের বেতন বাবদ মাসে প্রায় ৭৯ হাজার টাকা প্রয়ােজন ।
৮ টি পঞ্চায়েতের প্রতিটির ক্ষেত্রে ওই অঙ্ক মাসে দেড় লক্ষ টাকার বেশি । জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মনােজ চক্রবর্তী বলেন , “ মে মাসের পরে ওঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি , এটা বাস্তব । তাই পুজোর মুখে অন্তত দু’মাসের বেতনের ব্যবস্থা করতে পঞ্চায়েত প্রধানদের অনুরােধ করা হয়েছে । পরে , পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে দেখা যাবে । ” সদর মহকুমার একটি ব্লকের এক পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য , “ জেলা পরিষদ তাে বলেই খালাস । পঞ্চায়েতকে সীমিত আয়ের মধ্যে কাজ করতে হয় । কী করে ওই পরিমাণ টাকা দেব ? করােনা - পর্বে প্রত্যন্ত গ্রামে ওই কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন । কিন্তু মে মাস থেকে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না । বিষয়টি পরিতাপের কিন্তু আমাদের পক্ষে বেতন মেটানাে কঠিন । ”