মানণীয় ভি আর পি বন্ধু, সহকর্মী, দিদিভাই এবং দাদাভাই সকলকে শারদীয়ার প্রীতি শুভেচ্ছা ভালোবাসা এবং সংগ্রামী অভিনন্দন। খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা দিন যাপন করছি।এই অসম প্রতিকুল পরিস্থিতিতেও একটা বিষয় খুব ভালো লাগছে যে কমিটি হীন সংগঠন এবং একতা জেগে উঠছে। তবে খুব ধীর গতিতে।এই গতি বাড়াতে হবে এটা আমি এবং আমার বন্ধু ও ভাইসম ফারুক ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি।আমরা কিছুদিন আগেই ডাক দিয়েছিলাম "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে" ।এই ডাক কিন্তু কোন সাধারণ কিংবা রসিকতার ডাক নয়। ভীষন জরুরী এবং সময়োপযোগী।
আন্দোলন কিন্তু আমাদের ডাকছে,সময় কিন্তু অনুকূল, পরিস্থিতি সহযোগী। অভাব শুধুমাত্র পা বাড়ানোর,পায়ে পা মিলিয়ে গর্জে উঠার। আপনার প্রয়োজন মাতৃ দুগ্ধ।তাই কাঁদতে আপনাকেই হবে। অন্য কারোর উপর কিংবা অদৃষ্টের উপর ভরসা করে যদি বসে থাকেন তাহলে কিন্তু আপনার কপালের দুধটা বিড়ালে খেয়ে যাবে।তাই আসুন বন্ধু,"একলা চলো" সংগ্রামী বন্ধুদের সাথে পা মেলান।আশা ভরসা বিশ্বাস একটা হার না মানা মনোভাব নিয়ে কণ্ঠ ছাড়ুন। আমাদের দাবি খুব সীমিত,আমরা অগ্রাধিকার দেবো,৬০ বছর কর্মনিশচয়তা, মাসিক ১৫০০০/- বেতন, সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা। সঙ্গে বিগত বকেয়া বেতন আদায়। বর্তমানে আমরা বকেয়া বেতন নিয়ে এতটাই উত্তেজিত এবং উদ্বিগ্ন যে আমরা ভুলেই গেছি আমাদের মুল দাবি গুলোর কথা।তাই দাবি আদায় কে প্রথম সারিতে রেখে বকেয়া আদায় করাই হবে আমাদের এক এবং একমাত্র লক্ষ্য।"একলা চলো" সংগ্রামী ভি আর পি বন্ধুরা দিয়েছে ডাক,হয় এবার নয় নেভার মনোভাব নিয়ে পথে নামা যাক।সব শেষে একটা কথাই বলব-হাল ছেড়ো না বন্ধু, বরং কণ্ঠ ছাড়ি এসো জোড়ে।
একলা চলো রে.....