লক্ষীর ভান্ডারের এই নিয়মে বড়সর পরিবর্তন! নতুন নির্দেশিকা জারি করলো রাজ্য!
নিজস্ব প্রতিবেদন :- এবার রাজ্যের মহিলাদের মুখে হাসি ফোটাতে নতুন এক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। আমরা জানি যে মূলত লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পকে নিয়ে একাধিক সমস্যা উঠে আসছে সামনের সারিতে। তবে ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে এক কোটি মহিলার একাউন্টে তাদের প্রাপ্য টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ।বাকি আছে এখন 60 লক্ষ।
সেই মহিলাদের টাকা খুব দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ ত্রিবেদী।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজ্যের প্রতিটি মহিলাদেরকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করার কথা জানানো হয়েছিল বিধানসভা ভোটের আগে। তিনি তার প্রতিশ্রুতি রেখেছেন ইতিমধ্যে যে সমস্ত মহিলারা তাদের একাউন্টে 500 টাকা এবং হাজার টাকা করে পেয়েছেন তাদের মুখে হাসি ফুটেছে এমনটা বললে খুব একটা ভুল হবে না। আমাদের আশেপাশে মা-বোনেরা সংসারের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং নিজেদের ইচ্ছাকে লুকিয়ে রাখে শুধুমাত্র টাকা পয়সার অভাবে।
পাশাপাশি বারবার কারো কাছে হাত পাততে তারাও কুন্ঠিত বোধ হোন। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রাজ্য সরকার তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।তবে এবার বিশাল বড় ঘোষণা করল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প কে নিয়ে। লক্ষীর ভান্ডার এর সুবিধা পেতে মহিলাদের অবশ্যই থাকতে হবে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এমনটাই জানা গিয়েছিল এই প্রকল্পের শুরুতেই। এবার লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে গতকাল এক বিরাট ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড, আধার কার্ড, এসসি, এসটি সার্টিফিকেট না থাকলেও লক্ষীর ভান্ডার এর জন্য আবেদন করতে পারবেন মহিলারা। যদি যাচাই করার পর মনে হয় আবেদনকারীর ওই সমস্ত কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে তবে তাকে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হবে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন,
"স্বাস্থ্যসাথী তে নিয়ম করা হয়েছে বাড়ির বয়স্ক মহিলার নামে কার্ড হবে। কিন্তু যে বাড়িতে তিনজন মহিলা রয়েছেন যাদের বয়স 25 থেকে 60 বছরের মধ্যে , অথচ তাদের নামে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড এখনো হয়নি, অভিভাবকের নামে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকলেও সেই বাড়ির বউরা অথবা মেয়েরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পাবেন।"