প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও এবার কড়া মনোভাব রাজ্যের। আবাস যোজনার অধীনে গ্রামীণ বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রেও একই ভাবে কেন্দ্রীয় দলের সুপারিশ মানার কথা বলা হয়েছে। এই প্রকল্পে ৯০ দিনের মধ্যে যারা বাড়ি তৈরির দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেয়েছেন, তাদের বাড়ি অবিলম্বে তৈরি করতে হবে। আগামী ২২ অগাস্টের মধ্যে এই বাড়িগুলি কী অবস্থায় এখন রয়েছে তার রিপোর্ট জমা করতে বলা হয়েছে।
![]() |
| অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনে হবে এফআইআর |
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়ার মতো একাধিক জেলায় আবাস যোজনার বহু বাড়ি অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে নবান্নের কাছে খবর রয়েছে। সেগুলির কাজও দ্রুত শেষ করার কথা বলা হয়েছে। যেখানে যেখানে অনিয়ম ধরা পড়বে সেখানেই এফআইআর করার কথা বলা হয়েছে। টাকা উদ্ধারের কথাও জানানো হয়েছে প্রশাসনকে।
১০০ দিনের কাজের মতো আবাস যোজনার ক্ষেত্রেও এবার কড়া মনোভাব নিতে চায় রাজ্য।সম্প্রতি রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর আবাস যোজনা নিয়ে বৈঠক করে। সেই বৈঠকেই এক প্রকার ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছিল রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর। আবাস যোজনার ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় সরকার টাকা বন্ধ করে রেখেছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ক্ষেত্রে এ রাজ্যে সেই প্রকল্প কতটা কার্যকরী হয়েছে তা নিয়ে বর্তমানে কেন্দ্রীয় দল বিভিন্ন জেলায় পরিদর্শন করছে। কেন্দ্রীয় দলের তরফে একাধিক সুপারিশ ও রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তরের কাছে এসেছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। সেই প্রেক্ষিতেই রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর এবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের ক্ষেত্রেও কড়া মনোভাব নিতে চায়।
তার জন্যই এবার ১০০ দিনের কাজের মত আবাস যোজনার ক্ষেত্রেও দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি আটকাতেও এফআইআর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি যেখানে যেখানে দুর্নীতি হয়েছে সেখান থেকে টাকা তোলার কথা বলা হয়েছে। একশ দিনের কাজ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে রাজ্য সরকার যে করা মনোভাব নিতে চলেছে অন্তত রাজ্য পঞ্চায়েত দফতরের নির্দেশিকা থেকেই তা স্পষ্ট।
